বীমা কোম্পানী  কর্তৃক বীমাপত্র অনুমোদনের পূর্বে ঝুঁকি নিরুপন হয়ে থাকে। বীমা আবেদন পত্রে ঝুঁকি সংক্রান্ত তথ্যের উল্লেখ্য থাকে।

ঝুঁকি নিরূপন করাই বীমার কাজ। হঠাৎ এবং অপ্রত্যাশিত কোন ঘটনা ঘটার সম্ভাব্য যাচাই বাছাই এর মাধ্যমে ঝুঁকির ধরণ নির্নয় করে ঝুঁকির বিপরীতে আর্থিক নিরাপত্তা জনিত ক্ষতিপূরনের ব্যবস্থা করা। এই রূপ ঘটনা ঘটা শুধু প্রকৃতির কারনেই নয় ক্ষেত্র বিশেষে ঝুঁকি নিরুপনকারীর কাজ নীতি নৈতিকতার অবক্ষয়ের কারনে যাতে না ঘটে সে দিক বিবেচনা করাই।

এখানে উল্লেখ্য যে, বীমা পলিসি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কখনো অসুস্থ রোগী অথবা পূর্ব থেকেই মারাত্বক রোগে আক্রান্ত আছে এমন ব্যক্তিদের কাছে পলিসি বিক্রয় হয় না। কখনো কখনো পলিসি বিক্রয়ের নিদৃষ্ট সময় পার হওয়ার পর ঝুঁকি গ্রহণ বলবৎ হয়

নিন্মে কয়েকটি ঝুঁকি উল্লেখ করা হইল:

১। মেডিকেল রিক্স বা স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি: বীমাকারীর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত মেডিকেল রিপোর্ট এর মধ্যে Blood profile, ECG, XRY, ECO উল্লেখ যোগ্য, যাহা বীমাকারীর বয়সও বীমা অংকের সাথে সম্পর্কিত।

২। FINANCIAL RISK: পেশার সাথে আয়ের সামঞ্জস্য আছে কিনা। বীমা কারীর বার্ষিক আয়ের ১০-১৫% এর উপরে পলিসি দেয়া হয় না।

৩। OCCUPATIONAL RISK (পেশাগত ঝুকি): কোম্পানী কর্তৃক পেশাগত ঝুঁকি হার নির্নীত হয়ে থাকে। পেশা অনুযায়ী টাকার পরিমান কম বেশি হতে পারে।

৪। SOCIAL RISK: SOCIAL RISK  সাধারণত রাজনৈতিক কর্মী বা সন্ত্রাসীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এ ক্ষেত্রে পলিসি দেওয়ার সময় সর্তকতা অবলম্বন করা জরুরী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here