তারা সাব্বিরের ব্যাপারটাকে নেতিবাচক হিসেবেই দেখছে। যদিও নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দলে ফেরানো নজির এটিই প্রথম নয়। সাকিব আল হাসানকেও একবার শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে দলে ফেরানো হয়েছিলো। কিন্তু সাব্বির ইস্যুতে জল ঘোলার সুযোগটা করে দিয়েছে বিসিবি কর্মকর্তারাই।

সাব্বিরকে দলে ফেরানোর দায় নিচ্ছেন না কেউই। খোদ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন নাকি বিষয়টা জানেনই না। প্রধান নির্বাচক দায় দিচ্ছেন অধিনায়ক মাশরাফির ওপর। আর মাশরাফিও অভিমানের সুরে সেই দায় কাঁধে তুলে নিয়েছেন একটু বোর্ড কর্তাদের একটু খোঁচা মেরেই।

বিষয়টা যে হাস্যরসের খোরাক জুগিয়েছে সেটাও তুলে ধরেছেন নিউজিল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা ‘স্টাফ ডন’। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহ আগেই নিষিদ্ধ ক্রিকেটারকে দলে ভিড়িয়েছে বাংলাদেশ এমন শিরোনামে শুরু করা পত্রিকাটি লিখেছে,’ ‘শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহ আগেই নিষিদ্ধ ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমানকে নিউজিল্যান্ড সফরে দলে টানার কারণ হিসেবে বোঝাবুঝির ভুলকে দোষারোপ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।’

বিষয়টাকে হাস্যকর হিসেবে উল্লেখ করে পত্রিকাটি শঙ্কা প্রকাশ করেছে এমন বিতর্কিত বিষয় ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সংস্কৃতিতেও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘পেশাদার প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাঁরা হাস্যরসের বিষয়বস্তু। এ ছাড়াও সব মিলিয়ে বাংলাদেশ দলের সংস্কৃতি নিয়ে এটি বিপজ্জনক বার্তাও।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here